আগরতলা মামলার কারণ ও ফলাফল !

১৯৬৮ সালে আগরতলা মামলা পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। ছয় দফা ভিত্তিক বাংলাদেশ জাতীয় জাগরণকে নস্যাৎ করতে জেনারেল আইয়ুব খান আগরতলা মামলার আশ্রয় নেন। আইয়ুব মোনায়েম চক্র  ১৯৬৮ সালের ডিসেম্বর মাসে পূর্ববাংলার কয়েকজন সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাকিস্তানের স্বার্থ বিরোধী এক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগ আনে। প্রকৃতপক্ষে ছয় দফা আন্দোলনকে নস্যাৎ করাই ছিল এই মামলার মুখ্য উদ্দেশ্য। সরকারি মামলাকে আগরতলা মামলা বলে অভিহিত করে। ১৯৬৮ সালের ১৮ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কুর্মিটোলা সেনানিবাসে নিয়ে যাওয়া হয়। ঐদিন পাক-সামরিক সরকারের এক প্রেসনোটে অভিযোগ করে বলা হয় শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর সহযোগীরা ভারতের আগরতলায় গোপন বৈঠকে এক সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে পুরো পাকিস্তান কে স্বাধীন করার ষড়যন্ত্র করেছিল। পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে মোট ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আগরতলা মামলা দায়ের করে। তার বিরুদ্ধে উক্ত ষড়যন্ত্র পরিকল্পনা ও পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়। ১১ জন রাজসাক্ষী হওয়ায় ক্ষমা প্রদর্শন করা হয়। অভিযোগে বলা হয় উপযুক্ত ব্যক্তিরা ভারতীয় যোগ সাজে এবং ভারতীয় অস্ত্রশস্ত্রের সাহায্যে পূর্ব পাকিস্তানকে পাকিস্তান হতে বিচ্ছিন্ন করে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন চেষ্টা করেছিল।  মামলার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল শেখ মুজিবুর সহজে সৎসাহসী বাঙালি সামরিক অফিসারকে দেশের প্রমাণ করা এবং তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে পূর্ববাংলার স্বার্থ ও প্রগতিবাদী আন্দোলনকে চিরদিনের জন্য স্তব্ধ করে দেওয়া।

১ন৯৬৮ সানলের ৬ জানুয়ারি এক প্রেস নোটে ২৮ জনকে গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশ করা হয়। ১৯৬৮ সালের ১৮ জানুয়ারি অপর এক ঘোষণায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়। নিরাপত্তা আইন ১৯৬৬ সালের ৯ মে থেকে জেলে আটক শেখ মুজিবকে জেল থেকে মুক্তি দিয়ে সামরিক আইনে পুনরায় গ্রেফতার করে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট সামরিক হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়।

মামলার বিচার কার্যক্রম

এই তথাকথিত মামলার বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১৯৬৮ সালের ২১ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি এমএ রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন কুর্মিটোলা সেনানিবাসে কড়া প্রহরায় রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিব ও অন্যদের মামলার বিচার কাজ শুরু হয়।মামলা শুরু হওয়ার পর তা প্রত্যাহারের জন্য আন্দোলন শুরু হয় এবং ছাত্র সমাজের ১১ দফার মধ্যে এই মামলা প্রত্যাহার ও সকল বন্দীদের মুক্তির দাবি সংযুক্ত হয়। ১১ দফার ভিত্তিতে কৃষক শ্রমিক ছাত্র জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন আন্দোলনে রূপ নেয়। এদিকে ঢাকা সেনানিবাসে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলার বিচার শুরু হলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা বৃটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এম পিকে শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে নিযুক্ত করেন।প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবিদের নিয়ে একটি ডিফেন্স টিম গঠন করা হয়। শেখ মুজিবুর এঁকে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে মনে করেন।অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নিকট হতে স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য তাদের উপর অমানবিক ও বর্বরোচিত অত্যাচার করা হয়। সাক্ষ্যপ্রমাণে দেখা গেল সম্পূর্ণ মামলাটি ছিল একটি হীন ষড়যন্ত্র। এ মামলার প্রতিক্রিয়ায় সরকার যা আশা করেছিল ফল হয়েছে তার সম্পূর্ণ উল্টো। শেখ মুজিবকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর প্রেক্ষিতে পূর্ব বাংলার জনগণের মনে দারুন খুব অসন্তোষের আগুন জ্বলে ওঠে। ছাত্র শেখ মুজিবের মুক্তির জন্য সর্বাত্মক আন্দোলন শুরু করে।সরকারি আন্দোলন দমন করার জন্য পুলিশ ইপিআর এবং সামরিক বাহিনী মোতায়েন করে। ১৯৬৮ সালের শেষের দিকে এবং ১৯৬৯ সালের প্রথম ভাগে আন্দোলন ব্যাপক ও তীব্রতর হয় এবং শেষ পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থানে রূপ গ্রহণ করে।উপায়ন্তর না দেখে প্রচন্ড গণআন্দোলনের মুখে পাক সামরিক শাসক আইয়ুব খান ১৯৬৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি এক বেতার ভাষণে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার এবং শেখ মুজিবুর রহমানসহ অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নিঃশর্ত মুক্তি প্রদানের ঘোষণা দেন।

আগরতলা মামলার কারণ

আগরতলা বাংলা বাঙালি জাতি ও নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তৎকালীন পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীর ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র ও দমন নীতিরই বহিঃপ্রকাশ। ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করলে তাকে ও আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্রের মামলা দায়ের করা হয়। নিচে আগরতলা মামলার কারণ সমূহ উল্লেখ করা হলো:

ছয় দফা দাবি নস্যাৎ

১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক উত্থাপিত ছয় দফা দাবির নস্যাৎ করা ছিল আগরতলা মামলার মুখ্য উদ্দেশ্য। ৬ দফার আন্দোলন আইয়ুববিরোধী আন্দোলনে পরিণত হলে স্বৈরাচারী আইয়ুব মোনায়েম সরকার শেখ মুজিবুর রহমান এবং আওয়ামী লীগকে জনবিচ্ছিন্ন করার জন্য আগরতলা মামলার নীলনকশা তৈরি করা হয়।


শেখ মুজিবকে রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত করা

১৯৬৭ সালের ডিসেম্বর মাসে আইয়ুব সরকার পূর্ব পাকিস্তানের কয়েকজন রাজনৈতিক ও সামরিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাকিস্তানের স্বার্থ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগ আনায়ন করে। ১৯৬৮ সালের জানুয়ারি মাসের শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে আরো ৩৫ জন সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল শেখ মুজিবকে রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত করা।

বাঙ্গালীদের মধ্যে একাত্মতার সংট সৃষ্টি

তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ শেখ মুজিব ও আওয়ামী লীগের প্রতি প্রবল সমর্থন ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে যে একাত্মতা সৃষ্টি হয় তাতে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী শঙ্কিত হয়ে পড়ে। এই মামার মধ্যে দিয়ে শেখ মুজিব ও আওয়ামী লীগকে স্তব্ধ করে বাঙালিদের মধ্যে একাত্মতা বোধের সৃষ্টির প্রয়াস চালানো হয়।

পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠীর ক্ষমতার ভিত শক্তিশালী করা

আগরতলা মামলার একটি অন্যতম কারণ ছিল পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর ক্ষমতার ভিত আরো শক্তিশালী করা। এজন্য তারা ভিন্ন আগরতলা মামলার আশ্রয় গ্রহণ করে শেখ মুজিবকে পাকিস্তানের শত্রু এবং ভারতের দালাল বলে প্রচার চালায়।


স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকার আন্দোলন নস্যাৎ করা

আগরতলা মামলার একটি কারণ ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের দীর্ঘদিনের স্বাধিকার আন্দোলন বানচাল করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই শাসকগোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানে জনগণকে স্বায়ত্তশাসন প্রদানে গড়িমসি করে আসছিল।

শাসন ও শোষণ অব্যাহত রাখা

পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই শাসকগোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের উপর শাসন-শোষণের যে স্টিম রোলার চালিয়ে আসছিল তা অব্যাষহত রাখা ও এই মামলার অন্যতম কারণ বলে অনেক রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মনে করেন।

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াবন্ধ করা

পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই শাসকগোষ্ঠী পাকিস্তানী অবাধ সুষ্ঠু ও সাধারন নির্বাচনে অনীহা প্রকাশ করে আসছিল। কারণ সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তৎকালীন ক্ষমতাসীনরা পরাজিত হবে বলে তাদের মনে শঙ্কা ছিল। এই মামলার এটিও অন্যতম কারণ।

আগরতলা মামলার ফলাফল

আগরতলা মামলার ফলাফল ছিল খুবই তাৎপর্যপূর্ণ এবং সুদুরপ্রসারী।এই মামলার মধ্যে দিয়ে পাক-সামরিক চক্রের হীন উদ্দেশ্য ফাঁস হয়ে পড় এবং পূর্ববাংলার জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি করে। এ ক্ষোভ ৬৯ সালের প্রবল গণ-আন্দোলনের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নিচে আগরতলা মামলার ফলাফল ও তাৎপর্য উল্লেখ করা হলো:

১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান

আগরতলা মামলার কারণে ১৯৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তানে আন্দোলন শুরু হয়। সরকার এই আন্দোলন নস্যাৎ করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালায়। এই উদ্দেশ্যে সরকার সমগ্র দেশে জরুরি অবস্থা ও ১৪৪ ধারা জারি করে। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র-জনতা জরুরি অবস্থা অমান্য করে রাস্তায় নেমে পড়লে শুরু হয় প্রচণ্ড আন্দোলন ও বিক্ষোভ। পুলিশের গুলিতে আসাদ নিহত হলে এ আন্দোলন গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।

আইয়ুব খানের পতন

১৯৬৮ সালের আগরতলা মামলার কারণে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে তীব্র বিরোধী মনোভাব সৃষ্টি হয় এবং এ সময় পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ আইয়ুব সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তোলে। অবশেষে কোন উপায়ন্তর না দেখে আইয়ুব খান এই হিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে ক্ষমতা থেকে বিদায় নেন।

বাঙালি জাতীয়তাবোধের সুসংহত লাভ

১৯৬৮ সালের আগরতলা মামলার ফলে বাঙালি জাতির মধ্যে জাতীয়তাবোধ আরো সুসংহত হয়। কেননা এই মামলার প্রধান আসামি ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের জনপ্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সম্মোহনী নেতৃত্ব কারণে বাঙ্গালীদের স্বাধিকার আন্দোলন আরো তীব্র থেকে তীব্রতর হয়।

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় অত্যাসন্ন করে তোলে

আগরতলা মামলা স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়কে অত্যাসন্ন করে তোলে।এই মামলা বাঙালিদের আরো উদ্বুদ্ধ করে এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে অনুপ্রেরণা যোগায় ‌। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ এবং গ্রেফতারের পূর্বে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণায় উদ্দীপ্ত হয়ে বাঙালি জনগণ স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ নয় মাস মুক্তি সংগ্রামের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে।

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on telegram
Telegram
Share on email
Email
Share on twitter
Twitter

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts

Latest Jobs

সকল কবি সাহিত্যিক লেখকের সাহিত্যকর্ম মনে রাখার উপায় !

সকল কবি সাহিত্যিক লেখকের সাহিত্যকর্ম মনে রাখার উপায় ! ইসমাইল হোসেন সিরাজীর উপন্যাস মনে রাখার সহজ উপায়: রানুর ফিতা ১। রা – রায় নন্দিনী ২।

Read More »

সিলেট কর কমিশনারের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

সিলেট কর কমিশনারের কার্যালয়ে ৭১ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত। সিলেট কর কমিশনারের কার্যালয়ে মোট ৯ টি পদে ৭১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন শুরু-২৯ ডিসেম্বর

Read More »

প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ে ৩৮ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত। আবেদন শুরু-১৫ ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০ টা থেকে। আবেদন শেষ- ৪ জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫ টা। আবেদন করতে

Read More »

শক্তির উৎস

শক্তির উৎস শক্তির প্রধান উৎস (prime sources of energy) সূর্যই প্রায় সকল শক্তির উৎস । এছাড়াও পরমাণুর অভ্যন্তরে নিউক্লিয়াসের নিউক্লিয় শক্তি ও  পৃথিবীর অভ্যন্তরে অবস্থিত উত্তপ্ত গলিত

Read More »

বিশ্বসভ্যতা (A 2 Z)। ২০০ MCQ

বিশ্বসভ্যতা পৃথিবী এ পর্যন্ত পাড়ি দিয়েছে চারটি বরফ যুগ ও চারটি আন্তঃবরফ যুগ। প্রতি যুগেই উষ্ণ অঞ্চলে গিয়ে টিকে থাকা প্রাণীদের দেহের আকৃতিতে কিছু পরিবর্তন

Read More »

সকল কবি সাহিত্যিক লেখকের সাহিত্যকর্ম মনে রাখার উপায় !

সকল কবি সাহিত্যিক লেখকের সাহিত্যকর্ম মনে রাখার উপায় ! ইসমাইল হোসেন সিরাজীর উপন্যাস মনে রাখার সহজ উপায়: রানুর ফিতা ১। রা – রায় নন্দিনী ২।

Read More »

সিলেট কর কমিশনারের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

সিলেট কর কমিশনারের কার্যালয়ে ৭১ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত। সিলেট কর কমিশনারের কার্যালয়ে মোট ৯ টি পদে ৭১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন শুরু-২৯ ডিসেম্বর

Read More »

প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ে ৩৮ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত। আবেদন শুরু-১৫ ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০ টা থেকে। আবেদন শেষ- ৪ জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫ টা। আবেদন করতে

Read More »

শক্তির উৎস

শক্তির উৎস শক্তির প্রধান উৎস (prime sources of energy) সূর্যই প্রায় সকল শক্তির উৎস । এছাড়াও পরমাণুর অভ্যন্তরে নিউক্লিয়াসের নিউক্লিয় শক্তি ও  পৃথিবীর অভ্যন্তরে অবস্থিত উত্তপ্ত গলিত

Read More »

বিশ্বসভ্যতা (A 2 Z)। ২০০ MCQ

বিশ্বসভ্যতা পৃথিবী এ পর্যন্ত পাড়ি দিয়েছে চারটি বরফ যুগ ও চারটি আন্তঃবরফ যুগ। প্রতি যুগেই উষ্ণ অঞ্চলে গিয়ে টিকে থাকা প্রাণীদের দেহের আকৃতিতে কিছু পরিবর্তন

Read More »