শক্তির উৎস

শক্তির উৎস

শক্তির প্রধান উৎস (prime sources of energy) সূর্যই প্রায় সকল শক্তির উৎস । এছাড়াও পরমাণুর অভ্যন্তরে নিউক্লিয়াসের নিউক্লিয় শক্তি ও  পৃথিবীর অভ্যন্তরে অবস্থিত উত্তপ্ত গলিত পদার্থ থেকে প্রাপ্ত শক্তি ও শক্তির উৎস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে । পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার প্রায় সবটাই কোনো না কোনোভাবে সূর্য থেকে আসা বা সূর্যকিরণ ব্যবহৃত হয়ে তৈরি হয়েছে ।

সৃষ্টিকে টিকিয়ে রাখার জন্য শক্তির যোগান অব্যাহত রাখতে হলে শক্তির উৎস সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা দরকার।

রাসায়নিক/জ্বালানি শক্তিঃ 

আদিম কালে মানুষ নির্ভর করত পেশী শক্তির উপর । পশুকে বশে আনার পর পশুর মাধ্যমে কৃষিকাজ , জিনিসপত্র বহন ইত্যাদি কাজ করত। কাঠ ও গাছের পাতা পুড়িয়ে তাপশক্তি, বায়ু প্রবাহ এবং জলস্রোত থেকে যান্ত্রিক শক্তি উৎপাদন ছিল সভ্যতার প্রাথমিক স্তর। শিল্প বিপ্লব এবং বাষ্পীয় ইঞ্জিনের আবিষ্কার মানুষের এবং পশুর  পেশি শক্তির উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেয়। ইঞ্জিন চালানোর জন্য শক্তির প্রয়োজন হয় এই শক্তি উৎপন্ন হয় জ্বালানি থেকে ।

শক্তির অতি পরিচিত উৎস হলো কয়লা, খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস । ভূঅভ্যন্তরে কয়লা, তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায় যা সরাসরি বা সামান্য পরিশোধিত করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায় ।

কয়লাঃ 

শক্তি উৎসসগুলোর মধ্যে কয়লার পরিচিত সবচেয়ে বেশি । কয়লা একটি জৈব পদার্থ । প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে গাছের পাতা এবং কাণ্ড মাটির নিচে চাপা পড়ে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে কয়লায় পরিণত হয়। কয়লা থেকে জ্বালানি ছাড়াও বহু প্রয়োজনীয় পদার্থ তৈরি হয়। যেমন কোল গ্যাস, আলকাতরা, বেঞ্জিন, অ্যামোনিয়া, টলুয়িন প্রভৃতি । রান্না করতে এবং বাষ্পীয় ইঞ্জিন চালাতে কয়লার প্রয়োজন হয়। আধুনিক কালে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান উপাদান কয়লা ।

কয়লা চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান সমস্যা হচ্ছে এটি সালফারের ধোয়া নির্গমন করে। এই ধোয়া এসিড বৃষ্টি সৃষ্টি করে। এই এসিড অনেক দুর্বল তা জলাশয়ের মাছ মেরে ফেলে , বন ধ্বংস করে এবং প্রাচীন পাথুরে খোদাই কাজ নষ্ট করে ফেলে।

খনিজ তেলঃ

বর্তমান সভ্যতায় পেট্রোলিয়ামের ব্যবহার অত্যন্ত ব্যাপক। গ্রামের কুঁড়ো ঘর থেকে শুরু করে আধুনিকতম পরিবহণ ব্যবস্থায় সর্বত্র এর ব্যবহার রয়েছে। পেট্রোলিয়াম থেকে নিস্কাশিত তেল পেট্রোল, পাকা রাস্তার উপর দেয়া পিচ, কেরোসিন এবং চাষাবাদের জন্য সার পাওয়া যায়।

“COMMON MISTAKES IN ENGLISH”

পরিবহনের জ্বালানি হিসেবে পেট্রোলের প্রচুর ব্যবহৃত হয়। পেট্রোলিয়াম থেকে টেরিলিন, পলিয়েস্টার,ক্যাশমিলন ইত্যাদি কৃত্রিম বস্ত্র পাওয়া যায়। পেট্রোলিয়ামের প্রধান ব্যবহার হল তড়িৎ এবং যান্ত্রিক শক্তি উৎপাদনে। পেট্রোলিয়াম তৈরি হয়েছে পেট্রো(অর্থ পাথর) এবং অলিয়াম(অর্থ তেল) নামক দুটি ল্যাটিন শব্দ হতে। টারশিয়ারি যুগে অর্থাৎ আজ থেকে পাঁচ ছয় কোটি বছর আগে সামুদ্রিক শিলার স্তরে স্তরে গাছপালা ও সাম্রদ্রিক প্রাণী চাপা পড়ে  বিভিন্ন রাসায়নিক রূপান্তরের মাধ্যমে তেলে পরিণত হয়। আজকের স্থল ভাগের অনেকাংশ প্রাগৈতিহাসিক যুগে সমুদ্রের তলদেশে ছিল।

প্রাকৃতিক গ্যাসঃ

বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার ব্যাপক। উন্নত দেশগুলোতেও প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার খুব বেশি। বিভিন্ন শিল্প কারখানায় এর ব্যবহার থাকলেও মূল ব্যবহার জ্বালানি হিসেবে। বাংলাদেশ রান্নার কাজে ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। এছাড়া ব্যবহার রয়েছে সার কারখানায়। গ্যাসের মাধ্যমে তাপ শক্তি তৈরি করে, সেই তাপ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায় ভূগর্ভ থেকে। সুগভীর কূপ খনন করে ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন করা হয়। পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচণ্ড তাপ এবং চাপে প্রাকৃতিক গ্যাস তৈরি হয়। পেট্রোলিয়াম কূপ থেকেও প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন। এই সকল শক্তিকে জীবাশ্ম শক্তিও বলা হয়।

অনবায়নযোগ্য শক্তিঃ 

পৃথিবীর বর্তমান ভৌত অবস্থায় যে সকল শক্তির উৎস নতুন করে সৃষ্টি হওয়ার নয় তাকে  অনবায়নযোগ্য শক্তি বলে। যেমন প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, খনিজ তেল ইত্যাদি

নবায়নযোগ্য শক্তি উৎসঃ 

যত দিন পৃথিবী সূর্যের আলো থেকে শক্তি পেতে থাকবে ততদিন সূর্যের আলোর উপর নির্ভরশীল শক্তি উৎস থেকে শক্তি পাওয়া সম্ভব। এই সকল শক্তির উৎসকে  নবায়নযোগ্য শক্তি উৎস বলে। সৌরশক্তি, পানি প্রবাহ থেকে প্রাপ্ত শক্তি, জোয়ার ভাঁটা শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি, বায়োমাস, বায়ুশক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তি উৎস। অনবায়নযোগ্য শক্তি ফুরিয়ে আসছে তাই ভবিষ্যতে নবায়নযোগ্য শক্তি উৎসের প্রতি নির্ভরশীলতা বাড়বে।

সৌরশক্তিঃ 

সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে সৌরশক্তি বলে। পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তা সূর্য কিরন ব্যবহার করেই তৈরি হয়েছে। জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, তেল ইত্যাদি আসলে বহু দিনের সঞ্চিত সৌরশক্তি।

সৌরশক্তির ব্যবহারঃ

লেন্সের সাহায্যে সূর্যের আলোকে অভিসারী করে আগুন লাগানো যায় । সূর্যের আলোকে ধাতব পাতের সাহায্যে প্রতিফলিত করে সৌরচুল্লীতে রান্না করা যায়। শীতের দেশে ঘরবাড়ি গরম করার কাজে ব্যবহার হয় মাছ, শস্য, সবজি শুঁকানোর কাজে সৌরশক্তি ব্যবহৃত হয়। সৌর শক্তির আরও উদাহরণ হচ্ছে সোলার ওয়াটার হিটার, সোলার কুকার ইত্যাদি

সৌরকোষ:

আধুনিক কৌশল ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে সৌরকোষ। সৌরকোষের বৈশিষ্ট্য হল এতে সূর্যের আলো পড়লে এ থেকে সরাসরি তড়িৎ পাওয়া যায়। সৌরকোষের নানা ব্যবহার রয়েছে । কৃত্রিম উপগ্রহে শক্তি উৎপাদনের জন্য এ কোষ ব্যবহৃত হয় এবং এই শক্তি ব্যবহার করে উপগ্রহ অনেক দিন কক্ষপথে ঘুরতে পারে বিভিন্ন ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি যেমন পকেট ক্যালকুলেটর, পকেট রেডিও, ইলেকট্রনিক ঘড়ি ইত্যাদি সৌরশক্তির সাহায্যে চালানো হয়। আমাদের দেশে গ্রামে, ঘরবাড়িতে সৌরশক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো হচ্ছে।সৌরশক্তিতে পরিবেশ দূষণ হয় না এবং বিপদের আশংকা নেই বললেই চলে।

জলবিদ্যুৎ(যান্ত্রিক শক্তির রূপান্তর)

পানি  নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। পানির স্রোত এবং জোয়ার ভাঁটাকে ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদন করা যায়। পানির স্রোতে গতিশক্তি এবং বিভব শক্তি থাকে। পানির প্রবাহ বা স্রোতকে কাজে লাগিয়ে যে বিদ্যুৎ বা তড়িৎ উৎপাদন করা হয় তাকে জলবিদ্যুৎ বলে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বিভবশক্তি ব্যবহার করা হয়। প্রবাহিত পানির স্রোতকে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়াটি সহজ।পানির স্রোতে সাহায্যে একটি টারবাইন ঘুরানো হয়। এই টারবাইনের ঘূর্ণন থেকে যান্ত্রিক শক্তি এবং চৌম্বকশক্তির সমন্বয় ঘটানো হয়। প্রবাহিত পানির স্রোত থেকে যান্ত্রিক শক্তি সরবরাহ করে চৌম্বকশক্তির সমন্বয়ে তড়িৎ উৎপাদন করা হয় বলে এ ধরণের তড়িতের নাম জলবিদ্যুৎ। ফ্রান্সে জোয়ার ভাঁটা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে উৎপাদন প্রকল্প সফলভাবে কাজ করছে।

বায়ু শক্তিঃ 

পৃথিবীর পৃষ্ঠের তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বায়ু প্রবাহিত হয়। বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে আমরা তড়িৎশক্তি বা যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করতে পারি। শক্তি রূপান্তরের এরূপ যন্ত্রকে বায়ুকল বলে। প্রাচীনকালে বায়ুকে কাজে লাগিয়ে কুয়া থেকে পানি তোলা, জাহাজ চালানো ইত্যাদি কাজ করা হত। বর্তমান প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে তড়িৎশক্তি উৎপাদন করা হয়।

ভূতাপীয় শক্তিঃ

ভূ অভ্যন্তরের তাপকে ব্যবহার করে তড়িৎ শক্তি উৎপাদন করা যেতে পারে। ভূ অভ্যন্তরে তাপের পরিমাণ এত বেশি যে এটি শিলাখণ্ডকে গলিয়ে ফেলতে পারে। এই শিলাকে ম্যাগমা বলে। ভূ তাত্ত্বিক পরিবর্তনের ফলে এই ম্যাগমা কখনো উপরে উঠে আসে এবং ভূপৃষ্ঠের খানিক নিচে জমা হয়। এ সকল জায়গা হট স্পট নামে পরিচিত। ভূগর্ভস্থ পানি এই হট স্পটের সংস্পর্শে এসে বাষ্পে পরিণত হয়। ভূগর্ভে আটকা পড়া এই বাস্পকে পাইপ দিয়ে উচ্চচাপে বের করে এনে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। নিউজিল্যান্ডে এ রকম বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আছে।

বায়োমাস শক্তিঃ

সৌরশক্তির একটি ছোট ভগ্নাংশ যা গাছপালা দ্বারা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে বায়োমাস রূপে গাছপালার বিভিন্ন অংশে মজুদ থাকে। বায়োমাস বলতে সেই সব জৈব পদার্থকে বুঝায় যাদেরকে শক্তিতে রূপান্তরিত করা যায়। বায়োমাসকে শক্তির একটি বহুমুখী উৎস হিসেবে বিবেচনা করা যায়।

বায়োমাস শক্তির উৎস

গাছ-গাছালি,জ্বালানি কাঠ,কাঠের বর্জ্যশস্য,ধানের তুষ ও কুঁড়া,লতাপাতা,পশুপাখির মল,পৌরবর্জ্য ইত্যাদি

বায়োমাস প্রধানত কার্বন এবং হাইড্রোজেন দিয়ে গঠিত একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। একটি আবদ্ধ পাত্রে গোবর ও পানির মিশ্রণ ১:২ অনুপাতে মিশিয়ে পচানো হলে বায়োগ্যাস উৎপন্ন হয়। ৪/৫ জনের পরিবারে রান্না ও বাতি চালানো গ্যাসের জন্য ২/৩ টি গরুর গোবরই যথেষ্ট।

“চাকরিতে নিয়োগ না পাওয়ার কারণ”

নিউক্লীয় শক্তিঃ 

নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় উৎপন্ন শক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় প্রাপ্ত শক্তিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হয় সেই বিক্রিয়াকে বলা হয় নিউক্লিয় ফিশন। এতে ইউরেনিয়ামের সাথে নির্দিষ্ট শক্তির নিউট্রনের বিক্রিয়া ঘটানো হয়। নিউক্লিয় চুল্লীতে এই বিক্রিয়া ঘটানো হয়।

নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় ভর শক্তিতে রূপান্তরিত হয় । নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় পদার্থের একটি ক্ষুদ্র অংশ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়

রূপান্তরিত শক্তি, E=mc2

m=রূপান্তরিত ভর শক্তিতে  c=আলোর বেগ =3×10-8ms-1

একটি নির্দিষ্ট শক্তির নিউট্রন যদি ইউরেনিয়ামকে আঘাত করে তাহলে প্রায়

200Mev=200imes10^6imes1.6imes10^{-19}J=3.2imes 10^{-11} J শক্তি নির্গত হয়

ফিসন বিক্রিয়া একটি শৃঙ্খল বিক্রিয়া হওয়ায় এমন কোটি কোটি বিক্রিয়া সংঘটিত হয় ।

নিউক্লিয় বিক্রিয়ার এক টন ইউরেনিয়াম থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তা দশ লক্ষ টন কয়লা পুড়িয়ে পাওয়া শক্তির সমান।

নিউক্লিয় বর্জ্য অতিমাত্রায় তেজস্ক্রিয় এবং এই বর্জ্যকে নিরাপদে পরিণত করতে হলে হাজার হাজার বছর সংরক্ষণ করতে হবে । নিউক্লিয় চুল্লী এমন এমন পদার্থ দিয়ে তৈরি করতে হবে যাতে এটি উচ্চ তাপমাত্রা এবং চাপ সহ্য করতে পারে।

সোভিয়েত ইউনিয়নের চেরনোবিল এবং জাপানের ফুকুশিমা থেকে নিউক্লিয় দুর্ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। গ্রিন হাউজ এফেক্ট তুলনামূলক ভাবে কম হয়।

নবায়নযোগ্য শক্তির সামাজিক প্রভাব সুবিধাঃ

কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ কম বলে বাইরে থেকে আমদানি করতে হয়। বায়োগ্যাস ব্যবহার করে পল্লী অঞ্চলের চেহারা পাল্টে দেয়া সম্ভব। তাছাড়া পরিবেশ দূষণের হাত থেকে বাচা সম্ভব।

শক্তি
শক্তি

অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

১. প্রশ্নঃ নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়?

ক. পেট্রোলিয়াম

খ. কয়লা

গ. প্রাকৃতিক গ্যাস

ঘ. বায়োগ্যাস

উত্তরঃ ঘ

২. প্রশ্নঃ আলবার্ট আইস্টাইনের প্রধান অবদান হল-

ক. কম্পিউটার টেকনোলজি

খ. ল’জ অব মেশিন

গ. থিওরি অব রিলেটিভিটি

ঘ. এরোপ্লেন আবিষ্কার

উত্তরঃ গ

৩.প্রশ্নঃ নবায়নযোগ্য শক্তি উৎসের একটি উদাহরণ হলো-

ক. পারমাণবিক জ্বালানী

খ. পীট কয়লা

গ. ফুয়েল সেল

ঘ. সূর্য

উত্তরঃ ঘ

৪. প্রশ্নঃ পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসেবে কোন ধাতু ব্যবহৃত হয়?

ক. সোডিয়াম

খ. পটাশিয়াম

গ. ম্যাগনেশিয়াম

ঘ. কোনটিই নয়

উত্তরঃ ক

৫. প্রশ্নঃ প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেন কি পরিমাণে থাকে? ক. ৪০-৫০ ভাগ

খ. ৬০-৭০ ভাগ

গ. ৮০-৯০ ভাগ

ঘ. ১০০-১১০ ভাগ

উত্তরঃ গ

৬. প্রশ্নঃ কোনটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস?

ক. কয়লা

খ. সূর্যরশ্মি

গ. পেট্রোলিয়াম

ঘ. ইউরেনিয়াম

উত্তরঃ খ

৭. প্রশ্নঃ ফিউশন প্রক্রিয়ায়–

ক. একটি পরমাণু ভেঙে প্রচণ্ড শক্তি সৃষ্টি করে

খ. একাধিক পরমাণু যুক্ত করে নতুন পরমাণু গঠন করে

গ. ভারী পরমাণু ভেঙে দুটি পরমাণু সৃষ্টি হয়

ঘ. একটি পরমাণু ভেঙে দুটি পরমাণু সৃষ্টি হয়

উত্তরঃ খ

৮. প্রশ্নঃ পেট্রোলের আগুন পানি দ্বারা নেভানো যায় না, কারণ-

ক. পেট্রোলের সাথে পানি মিশে যায়

খ. পেট্রোল পানির সাথে মিশে না

গ. পেট্রোল পানির চেয়ে হাল্কা

ঘ. খ ও গ উভয়ই ঠিক

উত্তরঃ গ

৯. প্রশ্নঃ ফিউশন গেলন পদ্ধতিতে তৈরিকৃত বোমার নাম

ক. হাইড্রোজেন বোমা

খ. এটম বোমা

গ. নিউক্লিয়ার বোম

ঘ. কোনটিই নয়

উত্তরঃ ক

১০. প্রশ্নঃ বিগ ব্যাং সৃষ্টির আগের মুহূর্তের সীমাকে বলে–

ক. প্লাঙ্ক ওয়াল

খ. প্লাঙ্ক ওয়েবার

গ. প্লাঙ্ক মাস্ক

ঘ. কোনটিই নয়

উত্তরঃ ক

১১. প্রশ্নঃ In Nuclear reactor fuel used is

ক. Diesel fuel

খ. Coal

গ. Natural gas

ঘ. Uranium

উত্তরঃ ঘ

১২. প্রশ্নঃ কোনটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস?

ক. তেল

খ. সমুদ্রের ঢেঊ

গ. গ্যাস

ঘ. কয়লা ।।

উত্তরঃ খ

১৩. প্রশ্নঃ ‘থিওরি অব রিলেটিভিটি’ এর প্রণেতা-

ক. আইজ্যাক নিউটন

খ. আলবার্ট আইনস্টাইন

গ. চার্লস ডারউইন

ঘ. আঁদ্রে শাখারভ

উত্তরঃ খ

১৪. প্রশ্নঃ সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব যদি এর সঙ্গে থাকে-

ক. ট্রান্সফরমার

খ. জেনারেটর

গ. স্টোরেজ ব্যাটারী

ঘ. ক্যাপাসিটার

উত্তরঃ গ

১৫. প্রশ্নঃ প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো-

ক. নাইট্রোজেন গ্যাস

খ. মিথেন

গ. হাইড্রোজেন গ্যাস

ঘ. কার্বন মনোক্সাইড

উত্তরঃ খ

১৬. প্রশ্নঃ কোনটি বায়োগ্যাসের প্রধান কাঁচামাল?

ক. গোবর ও পানি

খ. খড়কুটা ও পানি

গ. কয়লা ও পানি

ঘ. মাটি ও পানি

উত্তরঃ ক

১৭. প্রশ্নঃ পানি ঢেলে কেরোসিনের আগুন নেভানো যায় না, কারণ-

ক. পানি কেরোসিনের চেয়ে হাল্কা

খ. পানির অক্সিজেন কেরোসিনকে জ্বলতে সাহায্য করে

গ. কেরোসিন পানির চেয়ে হাল্কা

ঘ. জ্বলন্ত কেরোসিনের সংস্পর্শে আসা মাত্রই পানি জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়

উত্তরঃ গ

১৮. প্রশ্নঃ এ্যাটম বোমের আবিষ্কারক কে?

ক. রাদারফোর্ড

খ. আইনস্টাইন

গ. এডিসন

ঘ. অটোহ্যান

উত্তরঃ ঘ

১৯. প্রশ্নঃ আপেক্ষকতাবাদের আবিষ্কারক কে?

ক. গ্যালিলিও

খ. ডারউইন

গ. নিউটন

ঘ. আইনস্টাইন

উত্তরঃ ঘ

২০. প্রশ্নঃ আমাদের দেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেন কি পরিমাণে থাকে?

ক. প্রায় ৬৫-৬৯%

খ. প্রায় ৭৫-৭৯%

গ. প্রায় ৮৫-৮৯%

ঘ. প্রায় ৯৫-৯৯%

উত্তরঃ ঘ

২১. প্রশ্নঃ বায়োগ্যাস প্লান্টে গোবর ও পানির অনুপাত কত?

ক. ১ : ২

খ. ১ : ৩

গ. ১ : ৪

ঘ. ২ : ৩

উত্তরঃ ক

২২. প্রশ্নঃ Most undesirable element in natural gas is

ক. Carbon

খ. Sulphur

গ. Hydrogen

ঘ. Oxygen

উত্তরঃ খ

২৩. প্রশ্নঃ Rank of the coal changes with

ক. Voletile%

খ. Carbon%

গ. Sulphur%

ঘ. Ash%

উত্তরঃ খ

২৪. প্রশ্নঃ E=mc2 সূত্রের আবিষ্কারক-

ক. গ্যালিলিও

খ. কোপার্নিকাস

গ. আর্কিমিডিস

ঘ. আইনস্টাইন

উত্তরঃ ঘ

২৫. প্রশ্নঃ CNG এর পূর্ণরূপ কি?

ক. Compressed nitrogen gas

খ. Compressed neon gas

গ. Compressed natural gas

ঘ. Compressed nitrogen monoxide gas

উত্তরঃ গ

২৬. প্রশ্নঃ সূর্যে শক্তি তৈরি হচ্ছে কোন প্রক্রিয়ায়?

ক. রাসায়নিক প্রক্রিয়ায়

খ. আণবিক শক্তি প্রক্রিয়ায়

গ. পারমাণবিক শক্তি প্রক্রিয়ায়

ঘ. বিদ্যুৎ শক্তি প্রক্রিয়ায়

উত্তরঃ গ

২৭. প্রশ্নঃ সৌর কোষে ব্যবহৃত হয়-

ক. ক্যাডমিয়াম

খ. অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল

গ. সিলিকন

ঘ. ফসফরাস

উত্তরঃ ক

২৮. প্রশ্নঃ সর্বশেষ কোন অফুরন্ত শক্তিকে মানুষ কাজে লাগাচ্ছে?

ক. আণবিক শক্তি

খ. বায়ু শক্তি

গ. সৌর শক্তি

ঘ. গ্রাস শক্তি

উত্তরঃ গ

২৯. প্রশ্নঃ E=mc2 কোন থিওরীর একটি ফরমূলা?

ক. বসু-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান

খ. আইনস্টাইনের থিউরি অব রিলেটিভিটি

গ. বিগ ব্যাং থিউরী

ঘ. রোজারে সিংগুলারিটি থিওরী

উত্তরঃ খ

৩০. প্রশ্নঃ PCR-এর পরিপূর্ণ অর্থ কি?

ক. পলিমার কার্বন রিঅ্যাকশন

খ. পলিমার কার্বহাইড্রেট রিঅ্যাকশন

গ. পলিমার ক্যাটালাইসিস রিঅ্যাকশন

ঘ. পলিমার চেইন রিঅ্যাকশন

উত্তরঃ ঘ

৩১. প্রশ্নঃ প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেন কি পরিমাণ থাকে?

ক. ৪০ – ৫০ ভাগ

খ. ৬০ – ৭০ ভাগ

গ. ৮০ – ৯০ ভাগ

ঘ. ৩০ – ২৫ ভাগ

উত্তরঃ গ

৩২. প্রশ্নঃ নিচের কোনটি Fossil fuel নয়?

ক. পেট্রোলিয়াম

খ. কয়লা

গ. প্রাকৃতিক গ্যাস

ঘ. 273 U

উত্তরঃ ঘ

৩৩. প্রশ্নঃ নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টরে ক্যাডমিয়াম দণ্ড ব্যবহার হয় যাতে-

ক. অতি দ্রুত শক্তি উৎপাদন করা হয়

খ. বেশি সংখ্যক পরমাণু ভাঙ্গে

গ. বিক্রিয়ার তাপমাত্রা শোষিত হয়

ঘ. অধিকাংশ নিউট্রন শোষিত হয়

উত্তরঃ ঘ

৩৪. প্রশ্নঃ বায়োগ্যাস তৈরির পর যে অবশিষ্টাংশ থকে তা-

ক. সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়

খ. হাঁস-মুরগীর খাবার হিসেবে ব্যবহার করা যায় গ. জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা যায়

ঘ. কোন কাজে লাগে না

উত্তরঃ ক

৩৫. প্রশ্নঃ নবায়নযোগ্য জ্বালানি-

ক. পেট্রোল

খ. কয়লা

গ. প্রাকৃতিক গ্যাস

ঘ. পরমাণু শক্তি

উত্তরঃ ঘ

৩৬. প্রশ্নঃ বায়োগ্যাসের কোন উপাদান জ্বালানির কাজে ব্যবহৃত হয়?

ক. কার্বন ডাই অক্সাইড

খ. কার্বন মনোক্সাইড

গ. মিথেন

ঘ. নাইট্রোজেন

উত্তরঃ গ

৩৭. প্রশ্নঃ পীট কয়লার বৈশিষ্ট্য হলো-

ক. মাটির অনেক গভীরে থাকে

খ. পাহাড়ী এলাকায় পাওয়া যায়

গ. ভিজা ও নরম

ঘ. দহন ক্ষমতা কয়লার তুলনায় অধিক

উত্তরঃ গ

৩৮. প্রশ্নঃ আইনস্টাইনের পদার্থ ও শক্তির অভিন্নতা বিষয়ক সূত্র হলো-

ক. E=mc

খ. E=m2c2

গ. E=mc2

ঘ. E=1/2m2c2

উত্তরঃ গ

৩৯. প্রশ্নঃ বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব-ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেছেন—

ক. স্টিফেন হকিং

খ. জি লেমেটার

গ. আব্দুস সালাম

ঘ. এডুইন হাবল

উত্তরঃ ক

৪০. প্রশ্নঃ নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানী?

ক. কয়লা

খ. তৈল

গ. প্রাকৃতিক গ্যাস

ঘ. উপরের সবগুলি

উত্তরঃ ঘ

৪১. প্রশ্নঃ Natural gas contains–

ক. Mainly methane

খ. Mainly propane

গ. Mainly ammonia

ঘ. Mainly ethane

উত্তরঃ ক

৪২. প্রশ্নঃ আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে স্থান, কাল ও দৈর্ঘ্য–

ক. অপরিবর্তনশীল বা অনাপেক্ষিক

খ. পরিব্ররতনশীল বা আপেক্ষিক

গ. স্থির ঘ. কোনটিই নয়

উত্তরঃ খ

৪৩. প্রশ্নঃ Which is gaseous at NTP?

ক. Haptane

খ. Hexane

গ. Pentane

ঘ. Butane

উত্তরঃ ঘ

৪৪. প্রশ্নঃ CNG এর অর্থ-

ক. নতুন ধরনের ট্রাক্সি ক্যাব

খ. কার্বনমুক্ত নতুন পরিবেশ-বান্ধব তেল

গ. সীসামুক্ত পেট্রোল

ঘ. কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস

উত্তরঃ ঘ

৪৫. প্রশ্নঃ স্টিফেন হকিন্স একজন অতিশয় বিখ্যাত- ক. দার্শনিক

খ. পদার্থবিদ

গ. কবি

ঘ. রসায়নবিদ

উত্তরঃ খ

৪৬. প্রশ্নঃ রাস্তা বা ছাদের আবরণ হিসাবে ব্যবহৃত পিচ কোনটি থেকে তৈরি হয়?

ক. বালি

খ. চুনাপাথর

গ. পেট্রোলিয়ামের অবশেষ

ঘ. অ্যামোনিয়ার কালো লিকার

উত্তরঃ গ

৪৭. প্রশ্নঃ নিম্নোক্তগুলোর কোনটি পারমাণবিক চুল্লীতে মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়?

ক. গ্রাফাইট

খ. স্টীল

গ. কয়লা

ঘ. সীসা

উত্তরঃ ক

৪৮. প্রশ্নঃ কোন বাঙ্গালী বৈজ্ঞানিক আলবার্ট আইনস্টাইনের সাথে যুক্তভাবে একটি তত্ত্ব দিয়েছিলেন?

ক. মেঘনাধ সাহা

খ. সত্যেন্দ্রনাথ বসু

গ. জগদীশ চন্দ্র বসু

ঘ. আর মহলানবীশ

উত্তরঃ গ

৪৯. প্রশ্নঃ সি.এন.জি চালিত ইঞ্জিনে জ্বালানী ব্যবহার করা হয়-

ক. ডিজেল

খ. মিথেন

গ. পেট্রোল

ঘ. ইথেন

উত্তরঃ খ

৫০. প্রশ্নঃ নবায়নযোগ্য জ্বালানীর উৎস-

ক. তেল

খ. গ্যাস

গ. কয়লা

ঘ. বায়োগ্যাস

উত্তরঃ ঘ

৫১. প্রশ্নঃ ফিশন (Fission) প্রক্রিয়ায় প্রচণ্ড শক্তি উৎপাদিত হয়-

ক. হাইড্রোজেন বোমা

খ. এটম বোমা

গ. সূর্য

ঘ. নভোরশ্মি

উত্তরঃ খ

৫২. প্রশ্নঃ হাইড্রোইলেকট্রিসিটি (Hydroelectricity) তৈরি করতে দরকার হয়-

ক. পানি

খ. জ্বালানী

গ. তাপ

ঘ. বাতাস

উত্তরঃ ক

৫৩. প্রশ্নঃ সূর্যে শক্তি উৎপন্ন হয়-

ক. রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে

খ. পরমাণুর ফিউশন পদ্ধতিতে

গ. তেজস্ক্রিয়তার ফলে

ঘ. পরমাণুর ফিশন পদ্ধতিতে

উত্তরঃ খ

৫৪. প্রশ্নঃ প্রখ্যাত বৈজ্ঞানিক আইনস্টাইনের নামের সঙ্গে যে বাংলাদেশী বৈজ্ঞানিকের নাম জড়িত-

ক. ড. মতিন চৌধুরী

খ. ড. কাজী মোতাহার হোসেন

গ. কুদরত-ই-খোদা

ঘ. প্রফেসর এম.এন.বোস

উত্তরঃ ঘ

৫৫. প্রশ্নঃ প্রাণীর মলমূত্র থেকে ব্যাকটেরিয়ার ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ার উৎপন্ন হয়-

ক. ইথেন

খ. মিথেন

গ. এমোনিয়া

ঘ. বিউটেন

উত্তরঃ খ

৫৬. প্রশ্নঃ পারমাণবিক বোমা (Atom bomb) এর আবিষ্কারক কে?

ক. আইনস্টাইন

খ. ওপেনহেইমার

গ. অটোহ্যান

ঘ. রোজেনবার্গ

উত্তরঃ খ

৫৭. প্রশ্নঃ সূর্যের পারমাণবিক বিকিরণের মূল উৎস হলো-

ক. নিরবিচ্ছিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়া

খ. ভারী পরমাণুর ফিশন পদ্ধতি

গ. অতি উচ্চ তাপমাত্রায় সূর্যের পদার্থ উত্তপ্ত হওয়া

ঘ. হাল্কা পরমাণুর ফিউশন পদ্ধতি

উত্তরঃ ঘ

৫৮. প্রশ্নঃ কোনটি পেট্রোলিয়াম থেকে পাওয়া যায়?

ক. ক্লোরিন

খ. প্যারাফিন

গ. রেনিয়াম

ঘ. আয়োডিন

Don’t Forget to Join Our Facebook Group

Join NOw

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on telegram
Telegram
Share on email
Email
Share on twitter
Twitter

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts

Latest Jobs

সকল কবি সাহিত্যিক লেখকের সাহিত্যকর্ম মনে রাখার উপায় !

সকল কবি সাহিত্যিক লেখকের সাহিত্যকর্ম মনে রাখার উপায় ! ইসমাইল হোসেন সিরাজীর উপন্যাস মনে রাখার সহজ উপায়: রানুর ফিতা ১। রা – রায় নন্দিনী ২।

Read More »

সিলেট কর কমিশনারের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

সিলেট কর কমিশনারের কার্যালয়ে ৭১ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত। সিলেট কর কমিশনারের কার্যালয়ে মোট ৯ টি পদে ৭১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন শুরু-২৯ ডিসেম্বর

Read More »

প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ে ৩৮ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত। আবেদন শুরু-১৫ ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০ টা থেকে। আবেদন শেষ- ৪ জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫ টা। আবেদন করতে

Read More »

শক্তির উৎস

শক্তির উৎস শক্তির প্রধান উৎস (prime sources of energy) সূর্যই প্রায় সকল শক্তির উৎস । এছাড়াও পরমাণুর অভ্যন্তরে নিউক্লিয়াসের নিউক্লিয় শক্তি ও  পৃথিবীর অভ্যন্তরে অবস্থিত উত্তপ্ত গলিত

Read More »

বিশ্বসভ্যতা (A 2 Z)। ২০০ MCQ

বিশ্বসভ্যতা পৃথিবী এ পর্যন্ত পাড়ি দিয়েছে চারটি বরফ যুগ ও চারটি আন্তঃবরফ যুগ। প্রতি যুগেই উষ্ণ অঞ্চলে গিয়ে টিকে থাকা প্রাণীদের দেহের আকৃতিতে কিছু পরিবর্তন

Read More »

সকল কবি সাহিত্যিক লেখকের সাহিত্যকর্ম মনে রাখার উপায় !

সকল কবি সাহিত্যিক লেখকের সাহিত্যকর্ম মনে রাখার উপায় ! ইসমাইল হোসেন সিরাজীর উপন্যাস মনে রাখার সহজ উপায়: রানুর ফিতা ১। রা – রায় নন্দিনী ২।

Read More »

সিলেট কর কমিশনারের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

সিলেট কর কমিশনারের কার্যালয়ে ৭১ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত। সিলেট কর কমিশনারের কার্যালয়ে মোট ৯ টি পদে ৭১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন শুরু-২৯ ডিসেম্বর

Read More »

প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ে ৩৮ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত। আবেদন শুরু-১৫ ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০ টা থেকে। আবেদন শেষ- ৪ জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫ টা। আবেদন করতে

Read More »

শক্তির উৎস

শক্তির উৎস শক্তির প্রধান উৎস (prime sources of energy) সূর্যই প্রায় সকল শক্তির উৎস । এছাড়াও পরমাণুর অভ্যন্তরে নিউক্লিয়াসের নিউক্লিয় শক্তি ও  পৃথিবীর অভ্যন্তরে অবস্থিত উত্তপ্ত গলিত

Read More »

বিশ্বসভ্যতা (A 2 Z)। ২০০ MCQ

বিশ্বসভ্যতা পৃথিবী এ পর্যন্ত পাড়ি দিয়েছে চারটি বরফ যুগ ও চারটি আন্তঃবরফ যুগ। প্রতি যুগেই উষ্ণ অঞ্চলে গিয়ে টিকে থাকা প্রাণীদের দেহের আকৃতিতে কিছু পরিবর্তন

Read More »